শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১০

গল্প: ধর্ষণালায়ে দুই রাণীমাতা (১৮)+

এই গল্পের ঘটনা চরিত্রের সাথে বাস্তবের মিল খুঁজে পাওয়া গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয় বলে বিবেচিত হবে।

এইতো বিশ বছর আগেও এই ধর্ষণালয়ের কর্তা ছিলেন একজন রাজা। অবশ্য তিনি পুরুষ কীনা এ ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তার পত্নী-উপপত্নীরা তাকে অপূরুষ বলেই দাবি করেন। বর্তমানে এই প্রাক্তন রাজা এই ধর্ষণালায়ের রাজা হওয়ার চিন্তাভাবনা বাদ দিয়েছেন। এখন তিনি রাণীমাতাদের স্তন পান করেই সন্তুষ্ট থাকেন।

ধর্ষণালয়ে রাণীমাতারা পাঁচ বছর পরপর নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার সার্টিফিকেট লাভ করেন। সাধারণত নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তেই প্রাক্তন ধর্ষ-রাজার ডিমান্ড বেড়ে যায়। লম্পট ধর্ষ-রাজা তখন দুই রাণীর স্তন চুষে চুষে স্তনের মিষ্টিত্ব পরীক্ষা করেন। তারপর যে রাণীর স্তন বেশি মিষ্টি বলে মনে হয় তার স্তনবৃন্তে ঝুলে পড়েন।

অবশ্য নির্বাচনে সুন্নতি দাড়ি সমৃদ্ধ আর একটি বেশ্যার দালালও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এই দালালটি সবসময়েই মেক-আপ সমৃদ্ধ ফোলানো চুলের ফর্সা রাণীর স্তনেই ঠোট গুজে রাখে। এর প্রধান কারণ তার নূরাণী চেহারার সাথে কালো রাণীর চেহারা ঠিক খাপ খায় না।

এই ধর্ষণালায়ে মোট ৩০০টি সাধারণ কক্ষ ও ৪৫টি রিজার্ভড কক্ষ রয়েছে। ৫ বছর পরপর নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম ৩০০টি কক্ষের জন্য একজন করে ধর্ষক নিয়োগ করা হয়। প্রতিটি কক্ষের জন্য নির্দিষ্ট ধর্ষকগণ তাদের ক্ষমতার ৫ বছরে ঐ কক্ষের যাবতীয় বস্তু - চেয়ার টেবিল মানুষ গাছ পাখি বই পুস্তক (কোরান বাদে, রাণীমারা কোরাণ শরীফ ছাড়া ক্ষমতায় যেতে পারেননা বেলে এটাকে ধর্ষনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে) ঘড়ি আলমারী হাড়ি পাতিল আলো বাতাস পানি মাটি দেয়াল ছাদ চাল ডাল আলু ভাত সবকিছুকে ধর্ষণের অধিকার পায়। ধর্ষকগুলোর হাসের লিঙ্গের মত প্যাচানো শিশ্নগুলো ড্রিল মেশিনের মত ঢুকে যায় যাবতীয় পদার্থ কিংবা শক্তিকে ভেদ করে। যেসব নির্ধারিত ধর্ষকদের নিজস্ব শিশ্ন নেই তারা অপরেরটা ধার করেই চালিয়ে যায় অথবা রাণীমাতা তাদের জন্য ডিলডো সরবরাহ করে। ইয়াবা ভক্ষণকারী এই ধর্ষকগুলোর কোনকালেই অর্গাজম আসেনা, তাই ক্ষমতার ৫ বছর তাদের অবিরাম ধর্ষণ চলতে থাকে।

অবশ্য এই ধর্ষকগুলো কেবল নিজেরাই ধর্ষণ করে না, ধর্ষনে সাহায্য করার জন্য কিছু উপধর্ষক ও পাতিধর্ষক পোষে তারা। ধর্ষকগুলো যখন তাদের উপপত্নীদের দিয়ে শিশ্ন চোষানোয় ব্যস্ত থাকে তখন নির্ধারিত কক্ষগুলোর ধর্ষাণাধিকার এই উপ ও পাতি ধর্ষকেরা। মূল ধর্ষকগুলো যখন ধর্ষণ করে তখন তারা কেবল তাদের শিশ্নকেই ব্যবহার করে, কিন্তু উপ-পাতি ধর্ষকেরা প্রত্যেকটা পদার্থ কিংবা শক্তিকে তাদের দাত-নখ-জিহ্বা দিয়ে কেটে-ছিড়ে-চেটে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। যে ধর্ষক ও তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা সবচেয়ে দুর্ধর্ষ ধর্ষণ করতে পারে রাণীমাতা তাদের কাছে ডেকে নিয়ে আদর করেন। প্যারিস হিলটনের মত মুখে শিশ্ন নিয়ে চুষে চুষে বীর্যপাত ঘটান।

ধর্ষণালয়ের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে রাণীমাতা ৩০০ কক্ষের যেকোনটিতে নিজে ধর্ষণ করার ক্ষমতা রাখেন। রাণীমাতার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যগণ নির্ধারণ করে দেন রাণীমাতা কখন কোন কক্ষে তার ধর্ষণ কাজ চালাবেন। রাণীমাতাদের ডিলডো বেধে দেয়ার কাজও করে থাকে এই উপদেষ্টামণ্ডলী।

এই ধর্ষণালয়ের রাণী দুজনের অন্যসব বিষয়ে হাজারো অমিল থাকলেও ধর্ষণ বিষয়ে অলিখিত ধর্ষবিধানকে তারা কোরাণের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দেয়। ধর্ষনালয় পরিচালনার বিধান সম্বলিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে। কিন্তু সে বইটিকে তারা থোরাই তোয়াক্কা করে এবং সুযোগ পেলেই বইটিকে তারা সবাই মিলে গণধর্ষণ করে।

বর্তমানে দুই রাণীমাতার মধ্যে অহি-নকুল সম্পর্ক। মেক-আপসমৃদ্ধ ফর্সা রাণীমাতা অনেকদিন যাবত ধর্ষণালয়ের পরিচালনা কমিটির মিটিংয়ে সাঙ্গপাঙ্গসহ অনুপস্থিত আছেন। তার অভিযোগ তাদের বসতে যে চেয়ার দেয়া হয়েছে তাতে তাদের বিশেষ করে রাণীমাতার পাছার সংকুলান হয় না। কেউ কেউ অবশ্য অভিযোগ করেছেন যে চেয়ারে বসার পরে তাদের পাছার নিচে শক্তমত কিছু ঠেকেন যা ক্রমাগত লম্বা হতে হতে তাদের পাছায় ঢুকে পরতে চায়।

খুব শীঘ্রই আমরা সুন্দরী রাণীমাতার কাছ থেকে মধ্যবর্তী নির্বাচন চেয়ে আন্দোলনের নির্দেশনা পাব। রাস্তায় আর্জেস গ্রেনেড, অস্ত্রসহ মাইকে শহীদ অথবা গাজী হবার ঘোষণা দেখতে পাব। ক্ষমতায় থাকা রাণীমাতার দল অবশ্য ইতোমধ্যেই তাদের লগি-বৈঠার দৌড়াত্ম দেখাতে শুরু করেছেন। লগি-বৈঠার পূর্ণ ব্যবহারে রাজপথে আরো বেশি রক্ত দেখার পৈশাচিক আনন্দ লাভ করব আমরা।
আবার দেখব রাণীমাতাদের ঝুলে যাওয়া স্তনবৃন্তগুলো এটুলির মত চুষছে ধর্ষণালয়ের প্রাক্তন রাজা এবং ছাগলা দাড়িসমৃদ্ধ নূরাণী চেহারার লোকগুলো।

আমি প্রতিদিন ঘুমাবার আগে একবার করে হস্তমৈথুন করব যাতে ঘুমাতে গিয়ে রাণীমাতা ও তার ধর্ষকদের ধর্ষণের ঘটনাগুলোকে ভুলে নিশ্চিন্তে ঘুম পাড়া যায়।

১৭টি মন্তব্য:

  1. উত্তরগুলি
    1. এই মন্তব্যটি একটি ব্লগ প্রশাসক দ্বারা মুছে ফেলা হয়েছে।

      মুছুন
  2. আগেও কইছিলাম, চ্রম হইছে!
    http://www.raatmojur.com/

    উত্তরমুছুন
  3. ধন্যবাদ, দিপ। এখানে মন্তব্যের জন্য আসিফ ভাই ও রাতমজুর ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন
  4. জাকিয়া, আপনার লেখাটা খুবই ভাল লেগেছে। আমিও যখন গল্পটা নিয়ে ভাবছিলাম, তখন এতটা অশ্লীল ভাবে উপস্থাপন করব তা ভাবিনি। কিন্তু রাজনীতিবিদদের উপর মেজাজটা এত বিগড়ে গিয়েছিল যে ভাষাকে লাগামহীনভাবে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এখানে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন
  5. মন্তব্য করেছিলাম রাতের বেলা-গায়েব হয়ে গেলো কেন!:(
    যাই হোক। ১৮+ এই লেখাটিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করার মত সামাজিক পরিস্থিতি এখনো আমাদের দেশে আসে নি।
    তবে, কথাগুলো চরমভাবে বাস্তব।

    উত্তরমুছুন
  6. তা ঠিক, তায়েফ ভাই। অশ্লীল তাতো জানতাম। আমি গায়ের রাগে লিখেছিলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন
  7. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

    উত্তরমুছুন
  8. আগেই কমেন্ট করেছিলাম। জটিল হয়েছে বস

    উত্তরমুছুন
  9. আমি দুই রাণীকে বাতিল করিনি বা বাতিল করতে বলিওনি। তাদের ধর্ষণাসিকতা পরিবর্তন করা দরকার। পরিবর্তনের গান গেয়ে ক্ষমতায় এসে বর্তমান রাণী যা করছে তা মেনে নেয়া যায় না। মোল্লাদের শাসন!! মাই গুডনেস!! ইহা আপনি কী কইলেন? ভয় পাইছি।

    উত্তরমুছুন